
কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী তে ৩ ফেব্রুয়ারি, শনিবার মইদাম মহাবিদ্যালয়ের এর শ্রেণীকক্ষ মেরামত ও সীমানা প্রাচীর ভিত্তি স্থাপন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ।
মইদাম মহাবিদ্যালয় টি স্থাপিত হয় ১৯৯৯ সালে তখন থেকেই ভালোভাবে ক্লাস ও স্যারদের প্রচেষ্টায় অনেক দূর এগিয়ে ছিলো। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে কলেজের ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তারপর কিছুদিন কলেজ চলাকালীন অবস্থায় ব্যর্থ হয়ে পড়ে। কলেজ কিছু সময় ধরে বন্ধ থাকে। পরবর্তীতে মইদাম মহাবিদ্যালয় এর অধ্যক্ষ রেজাওয়ানুল হক শোভন চৌধুরী শরণাপন্ন হয়ে কলেজটি কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, এমপি ও ভুক্ত করা যায় সে বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন। তারপর তার প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান, আমাদের কলেজটিকে এমপি ভুক্ত করার জন্য, অতঃপর কলেজটি এম পিও ভুক্ত হয়েছে ২০২৩ সালে। কলেজের ভবন না থাকায় কলেজের পরিবেশ ভালো না থাকায় ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হতে অনিচ্ছুক এমপিও ভুক্ত হওয়া শর্তেও কলেজটি মোটামুটি আকারে পরিবেশবান্ধব হয়েছে। আজকের সুধী সমাবেশে কলেজ নির্মাণ ভিত্তি স্থাপন মেরামতের জন্য একটি আলোচনা সভার আয়োজন করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম ফেরদৌস, ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন মন্ডল,পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর সবুর। সভাপতিত্ব করেন, আজিজুল হক সাবেক চেয়ারম্যান ১ নং পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার গুণীজন মুরুব্বিয়ান ও সমাজসেবক।
তারা ইতিমধ্যেই কলেজের শ্রেণীকক্ষ মেরামত প্রাচীর স্থাপন অনুমোদন করতে পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রদান করেন। কাজগুলো প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে। তাদের বক্তব্যে প্রকাশ পায় মইদাম কলেজ টি ভুরুঙ্গামারীর উপজেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে পরিচিত হোক। উপজেলা চেয়ারম্যান বলেছেন যথা সম্ভব অনুদান আসবে তা দেওয়া হবে। কলেজটি কিভাবে আকর্ষণীয় করা যায় করা সেই বিষয়ে নজর দিবেন। কিভাবে কলেজের পরিবেশবান্ধব করা যায় সেই বিষয়ে তাহারা আলাপ আলোচনা করবেন। এই কলেজে তিন শাখায় ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে, বিজ্ঞান শাখা, মানবিক ও ব্যবসা শাখায়।
কলেজের অধ্যক্ষের আশা কিভাবে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার মান উন্নয়ন করা যায় মানসম্মত করা যায় তাও ব্যক্ত করেছেন। আজকের এই সমাবেশে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের বক্তব্য ছিলো তারা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে কলেজটিকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়। এখন কাজটি প্রতিনিয়ত ক্লাস হয় ছাত্র-ছাত্রী আসে যথা- নিয়মে যথাসময়ে কলেজের কাজকর্ম চলতে থাকে। পরিশেষে এলাকাবাসী দাবি জানান কিভাবে পরিচালনা করা যায় ও আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে আপনাদের প্রচেষ্টায় কাম্য।



