
ইসা হাসান,পাথরঘাটা প্রতিনিধিঃ বরগুনার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হরিণঘাটায় সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনের গাছ কেটে বেশ কিছু পরিবার গড়ে তুলেছে বসতভিটা, মাছের ঘের সহ আবাদি জমি। যার ফলে বন উজাড় হয়ে ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ। এ কাজের সাথে স্থানীয় প্রভাবশালী ভূমি ও বনদস্যুদের সাথে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ২০১৩ সালে ৯ একর জমি দখল করে ৩৫ টি পরিবার বসতভিটা গড়ে তুললেও এখন তা শতাধিক ছাড়িয়েছে।আর এই দখলদারদের বিরুদ্ধে বন বিভাগের থেকে ১২টি মামলা করা হলেও এখনো করা হয়নি জমিগুলো দখলমুক্ত। এ বিষয় স্থানীয় দের সাথে কথা বললে জানা যায় তারা একাধিক বার ফরেস্টারকে জানালে তিনি এবিষয় পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েও পদক্ষেপ নেয়নি।আরেক জন স্থানীয় জানায় এই দখলদার’রা এক সময় ভূমিহীন ছিলো পরে আসতে আসতে বন উজাড় করে দখল দিচ্ছে এবং এই দখলদার’রা বন বিভাগকে ম্যানেজ করেই এই কাজ করে। কিন্তু সচেতন মহল বলছে বন কর্মকর্তা ও বন সংশ্লিষ্টদের কিছু সংখ্যক অসাধুদের এই কাজের সাথে জড়িত থাকার কারণে আজ বন ধ্বংস হচ্ছে। আর পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল বলেন ফরেস্টের নাকের ডগায় বনদস্যুরা বন কে উজাড় করে যে বনজঙ্গল ও সবুজ বেষ্টনী আমাদের ঝড়-তুফান থেকে রক্ষা করবে সে বনের গাছ কেটে বসতভিটা জন্য জমি দখল করতেছে। এ বিষয় পাথরঘাটার বিট কর্মকর্তা আব্দুল হাই এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা সম্পূর্ণ অসত্য ও অসম্ভব কথা, আপনারা চাইলে দখলদারদের কাছে জিজ্ঞেস করুন তারা এই কাজের জন্য কার কাছে টাকা দিছে এবং কার অনুমতি’তে গাছ কেটেছে। আর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল আলম বলেন দোষীাের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং যারা গাছ কেটে বন দখলের চেষ্টা করেছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।



