
আরব আমিরাতের শারজাহ শহরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা থেকে মো. হেলাল (২৫) নামে বাংলাদেশি এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে সহকর্মী ও মালিক পক্ষের লোকেরা।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নিহতের পিতা নুর আলম ও তার স্বজনরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত হেলাল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চর মার্টিন ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নুর আলমের ছেলে।
নুর আলম জানায়, গত ১১ এপ্রিল তারিখে শারজাহ শহরে ১০ নং ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় কর্মস্থলে হেলালকে হত্যার পর মরদেহ টয়লেটে ঝুলিয়ে রাখা হয়। তবে কে বা কাহারা এমনটি করেছে তা তিনি জানতে পারেননি। হেলালের এক সহকর্মীর মাধ্যমে তিনি ছেলের মৃত্যুর খবরটি জানতে পারেন।
পরিবার জানায়, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে চাকরির খোঁজে হেলাল আরব আমিরাতে যায়।
সেখানে তিনি ‘নুর আল কামাল পেইন্ট কোনট্রাকটিং’ নামের একটি কোম্পানিতে পেইন্টার হিসেবে কাজ করতেন। হেলালের অপর ভাই ফয়সাল কিছু দিন আগে সমস্যায় পড়ে একই কোম্পানি থেকে বাড়িতে ফিরে আসেন। এতে পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যক্তি ছিল হেলাল। তার মৃত্যুর খবরে পরিবারটিতে অন্ধকার ছায়া নেমে এসেছে।
নুর আলম বলেন, ‘আমার ছেলে আত্মহত্যা করেনি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে আমিরাত সরকারের নিকট জোর দাবি করছি।’ পাশাপাশি হেলালের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সহায়তা চান তিনি।
এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি কেউ আমাদের জানায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হবে।



