
সরজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, প্রথম স্ত্রী সাথে ডিভোর্স হওয়ার পরে দ্বিতীয় বিয়ে করে মতিন। প্রথম স্ত্রীকে কেন্দ্র করে প্রায়ই তাদের সংসারে ঝগড়া হত। এ সময় মতিন সরদার সহ তার পরিবারের কাউকে বাড়ি পাওয়া যায়নি।
নিহত হাওয়া বেগমের ভাই মামুন মন্ডল বলেন, আমার বোনের সাথে বিয়ে হওয়ার পরেও আগের স্ত্রীর সাথে কথা বলতো মতিন। গত কয়েক মাস আগে মতিনের প্রথম স্ত্রী এ বাড়িতে এসে এক সপ্তাহ মতো ছিল। মতিন প্রথম স্ত্রী কে আবার এই সংসারে আনবে বলেছিল। আমার বোন বাধা দেওয়ায় প্রায়ই আমার বোনকে নির্যাতন করত। আমার বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করব।
পাংশা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিনহাজ দৈনিক দিনের কণ্ঠকে জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মহদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহালে গলায় রশিদ দাগ ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যায়নি। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ রাজবাড়ী মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।



